মালদার বাজারে ছেয়ে গিয়েছে পাঞ্জাব নাগপুরের কমলালেবুতে
দি নিউজ লায়ন ; শীতের মরসুমে কমলালেবুর চাহিদা বরাবরই থাকে কিন্তু কোনটা দার্জিলিং এবং কোনটা নাগপুর তা যাচাই করতে গিয়ে হিমশিম খাচ্ছেন অনেক ক্রেতারা। কেউ কেউ আবার দার্জিলিং ভেবে নাগপুর অথবা পাঞ্জাবের কমলা লেবু কিনে রীতিমতো ঠকছেন। এনিয়ে বেশ কিছু ফল বিক্রেতাদের বিরুদ্ধে প্রতারণা করার অভিযোগ তুলেছেন ক্রেতাদের একাংশ।
যদিও ফল বিক্রেতাদের সাফ কথা, মানুষকে দার্জিলিং অথবা নাগপুরের কমলালেবুর কথা বলে বিক্রি করা হচ্ছে। কারণ দুটি লেবুর দামের অনেক ফারাক রয়েছে। তারপরও যদি কেউ জেনে বুঝে অভিযোগ করেন, তাহলে কিছু করার নেই।
মালদা শহর জুড়ে বিভিন্ন বাজার এবং ফুটপাত জুড়ে শুরু হয়েছে কমলা লেবু বিক্রি। অনেক ফল বিক্রেতা আবার তিন চাকার ভ্যানে করে কমলা লেবু বিক্রি করছেন। আর সেই কমলালেবু কিনতে প্রতিদিনই ভিড় করছেন বহু ক্রেতারা। কিন্তু না জেনে বুঝেই অনেকেই নাগপুরের কমলালেবুকে দার্জিলিংয়ের ভেবে কিনে ফেলেছেন।
তারপরে তা খাবার সময় হাড়ে হাড়ে টের পাচ্ছেন। এনিয়ে ক্রেতাদের একাংশ অভিযোগও তুলেছেন। মঙ্গলবার মালদা শহরের ফোয়ারা মোড়, কে.জে স্যানাল রোড, রাজমহল রোড , রবীন্দ্র এভেনিউ, স্টেশন রোড এলাকাযর বাজার এবং ফুটপাতগুলোতে সারি দিয়ে কমলালেবু কেনার ভিড় দেখা যায়। সকলের মধ্যে দার্জিলিংয়ের কমলালেবু কেনার চাহিদা রয়েছে। কিন্তু চড়া দামে থাকায় নাগপুরের কমলালেবু কিনতে দেখা গিয়েছে অনেক ক্রেতাদের।
অনেকে আবার অজান্তেই নাগপুরের কমলাকে দার্জিলিংয়ের ভেবে কিনে পরে ঠকছেন। এদিন ফোয়ারা মোড় এলাকায় কমলালেবু কিন্তু এসেছিলেন মালদা শহরের রিজেন্ট পার্ক এলাকার বাসিন্দা সুস্মিতা চৌধুরী। তিনি বলেন , দার্জিলিং অথবা নাগপুর দুই কমলালেবুর চেনার উপায় নেই। যারা কমলা বিক্রি করছেন তাদের কথায় বিশ্বাস করে এই ফল কিনছি। অনেক ক্ষেত্রে দার্জিলিংয়ের কমলালেবু সঙ্গে নাগপুরের কমলা মিশিয়ে দেওয়া হচ্ছে। যার ফলে ঠকতে হচ্ছে।
এক ফল বিক্রেতা বলেন, দার্জিলিংয়ের কমলা কিলো প্রতি ১৫০ থেকে ১৬০ টাকা। নাগপুরে কমলালেবু ৫০ থেকে ৬০ টাকা। পাঞ্জাব থেকে আসা লেবুর দর কিলো প্রতি ৪০ টাকা। এই দামের ফারাক দেখলেই তো আসল টা বোঝা যায়। কিন্তু ক্রেতাদের অনেকেই কম দামে ভালো কমলা নেওয়ার কথা বলছেন। তাতে কি আর হয়।

Post a Comment